গুগল এডসেন্স (Google AdSense) কি? এডসেন্স থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

Posted
Comments 0

গুগল এডসেন্স থেকে আয়
গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

গুগল অ্যাডসেন্স বা এডসেন্স (ইংরেজি: Google AdSense) গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লভ্যাংশ অংশীদারি প্রকল্প যার দ্বারা গুগল অনুমোদিত একজন এডসেন্স প্রোগ্রামে যুক্ত প্রকাশক তার ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত এডসেন্স বিজ্ঞাপন থেকে অর্থ উপার্জন বা আয় করতে সক্ষম হন।

লভ্যাংশ অংশীদারি প্রকল্প অর্থ হচ্ছে- গুগল তাদের গুগল এডওয়ার্ডস প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তাদের বিজ্ঞাপন প্রচারের বিনিময়ে যে অর্থ পাবে তার শতকরা ৬৮% এডসেন্স প্রোগ্রামে যুক্ত প্রকাশক পাবেন।

গুগল এডসেন্স (Google AdSense) থেকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

একটি ওয়েবসাইটের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপণ প্রদর্শনের মাধ্যমে এডসেন্স থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

ধরে নিন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটের বিভিন্ন অংশে এডসেন্স এ্যাড প্রদর্শন করেছেন। আপনার ওয়েবসাইটের দর্শক বা ভিজিটর যদি সেই এ্যাড এ প্রদর্শিত বিষয়বস্তু দেখে তাতে ক্লিক করে তবে সেই বিজ্ঞাপন এর CPC (Cost Per Click) rate বা দর অনুযায়ী আপনি টাকা পাবেন। এখানে উল্লেখ্য যে, এডসেন্স এর মাধ্যমে টাকা উপার্জন করার পদ্ধতি শতভাগ নির্ভরযোগ্য ও সর্বমহলে স্বীকৃত একটি পন্থা।

কি কি মাধ্যমে এড প্রদর্শনের জন্য গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামে এপ্লাই করা যায়?

গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে সাধারণত তিনটি মাধ্যমে এড প্রদর্শন করে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়।

১। নন হোস্টেড ব্লগ বা ওয়েবসাইট।

অনলাইনে গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে টাকা উপার্জন করার সবচাইতে জনপ্রিয় ও সফল মাধ্যম হচ্ছে নন হোস্টেড ব্লগ বা ওয়েবসাইট। নন হোস্টেড ব্লগ বা ওয়েবসাইট বলতে সেই সমস্ত ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে বলা হয় যেগুলো গুগল এর নিজস্ব ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার না করে স্বতন্ত্রভাবে অন্য কোন ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের হোস্টিং সার্ভার ব্যবহার করে ব্লগ বা ওয়েবসাইট পরিচালনা করা হয়। গুগল এডসেন্স থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা উপার্জন করার জন্য এই পদ্ধতিটি সবচাইতে কার্যকরী। কেননা এতে করে আপনার ওয়েব সাইটের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আপনি আপনার ওয়েব পেজের যে কোন অংশে ইচ্ছেমত এডসেন্স এড বসিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।

পড়ুন- ওয়েব হোস্টিং কি? কেন প্রয়োজন?

২‌। গুগল হোস্টেড ব্লগ বা ব্লগার.কম।

আপনি ইচ্ছে করলে ব্লগারদের জন্য গুগলের ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস ব্লগার.কম ব্যবহার করে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করে সেই সাইটটিকে গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত করে অনলাইনে টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ব্লগিং জগতে যারা সম্পূর্ণ নতুন এবং শিক্ষানবিশ তাদের জন্য এই সার্ভিসটি খুবই উপযোগী। কেননা আপনি ইচ্ছে করলে গুগলের ফ্রি হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করে যেমন একটি ব্লগ তৈরি করা ও তাতে লেখা প্রকাশ করার বিভিন্ন কৌশলসহ ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট এর প্রাথমিক ধারণা সমূহ নিতে পারবেন ঠিক তেমনিভাবে আপনার ব্লগটি আপনাকে অতিরিক্ত একটি টাকা খরচ না করেই অনলাইনে টাকা উপার্জন করার সুযোগ প্রদান করবে।

৩। ইউটিউব চ্যানেল।

বর্তমানে এডসেন্স এর মাধ্যমে অনলাইনে টাকা উপার্জন করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে তা গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত করে ঐ ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওতে এডসেন্স এড যুক্ত করার মাধ্যমে টাকা উপার্জন করা।

গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামের সাথে কিভাবে যুক্ত হবেন?

এডসেন্স প্রোগ্রামে যুক্ত হতে হলে অবশ্যই আপনাকে গুগলের প্রোগ্রাম পলিসি সঠিকভাবে অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্লগ বা ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে।

গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামের পলিসিসমূহ বিস্তারিত জানতে পড়ুন- AdSense Program Policies

আপনার সুবিধার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসি সমূহ এখানে উল্লেখ করা হলো।

আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে অবশ্যই মৌলিক তথ্যপূর্ণ অর্থাৎ যা অন্য কোনো ওয়েবসাইট থেকে চুরি করা হয়নি এমন কিছু (নূন্যতম ৫ – ৭টি) আর্টিকেল বা ভিডিও প্রকাশ করতে হবে।

ব্লগ বা ওয়েবসাইটৈর জন্য এডসেন্স এপ্রুভাল পাওয়ার উপায়

আপনার ওয়েবসাইটটির ডিজাইন ভালো হতে হবে। আর্টিকেলগুলো বিষয়বস্তুর বিভাগ বা ক্যাটাগরি অনুযায়ী সাজাতে হবে।

আপনার ওয়েবসাইটে অন্য কোন কোম্পানির এড প্রদর্শন করা যাবেনা। কেননা গুগল প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো কোম্পানির এড থাকলে সেই সাইটটিকে এডসেন্স এপ্রুভাল দেয় না।

একটি টপ লেভেল ডোমেইন (.com, .net, .org) থাকতে হবে, ফ্রী সাইট বা সাব ডোমেইন হলে হবে না।

এডাল্ট কনটেন্ট, কপিরাইট কনটেন্ট, হ্যাকিং কনটেন্ট, ক্রাইম, ইলিগ্যাল, ড্রাগ রিলেটেড কনটেন্ট রাখা যাবে না।

ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩ – ৪ মাস হলে ভালো হয়। তবে আপনার ওয়েবসাইটটি যদি মানসম্মত হয় তবে সময়টি অনেক সময় দেখেছি বিবেচনার অধীন থাকে না। যেমন আমি এই ব্লগটির এডসেন্স এপ্রুভাল এপ্লাই করার ১ দিনের মধ্যে পেয়েছি। তখন ডোমেইনের বয়স ছিল মাত্র ১৫ দিন।

আপনি যদি এডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসি সঠিকভাবে অনুসরণ করে আপনার ব্লগটি তৈরি করতে সক্ষম হয়ে থাকেন তবে আর এক মূহুর্ত দেরী না করে নিচে দেয়া লিংকের মাধ্যমে আজই এপ্রুভাল পাবার জন্য এপ্লাই করুন।

এখানে ক্লিক করে গুগল এডসেন্স প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হতে এপ্লাই করুন

ব্লগার বা ব্লগস্পট (blogspot.com) ব্লগে এডসেন্স যুক্ত করার নিয়ম

ব্লগার.কম সাইট এর জন্য এডসেন্স এপ্রুভাল পদ্ধতি ভিন্ন। ব্লগার বা ব্লগস্পট.কম সাব ডোমেইন যুক্ত সাইটে এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে হলে ব্লগার.কম এর মেনুবার থেকে আর্ণিংস (Earnings) ট্যাবে প্রবেশ করে Show Ads on blog লেখাটি খুঁজে বের করে তার ডান পাশের Yes রেডিও বাটন এ ক্লিক করে তা সচল করতে হবে। সাধারণত একটি ব্লগার সাইটে ৫ থেকে ৭টি মানসম্মত লেখা প্রকাশ করা হলেই আপনি Earnings ট্যাবে প্রবেশ করে এই সুবিধাটি পাবেন।

ব্লগার.কম সাইটে এডসেন্স এপ্রুভাল পাবার জন্য কি কি অতিরিক্ত যোগ‌্যতা থাকা লাগবে?

১। আপনার ব্লগার বা ব্লগস্পট.কম ব্লগে এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে হলে ব্লগের বয়স নূন্যতম ৬ মাস হতে হবে।
২। ব্লগে ভায়োলেন্স বা নূডিটি প্রকাশ করে এমন কোন ছবি, তথ্য চিত্র বা ভিডিও প্রকাশ করা যাবে না।
৩। আপনি ফ্রী গুগল হোস্টিং সার্ভিস ফাইল বা ডাটা হোস্ট করার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না।
৪। আপনার ব্লগে সুলিখিত ২০ থেকে ৩০টি আর্টিকেল প্রকাশ করতে হবে।
৫। ব্লগের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য সমৃদ্ধ পাতা যেমন অ্যাবাউট, কন্টাক্ট পেজ, প্রাইভেসি পলিসি এবং সার্ভিসেস পেজ প্রকাশ করতে হবে।

ইউটিউব চ্যানেলে কিভাবে এডসেন্স এপ্রুভাল পাবেন?

সাধারণত ইউটিউব চ্যানেল মনেটাইজেশন বা গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পেতে হলে গুগলের কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়।

ইউটিউব চ্যানেলে গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল পাবার শর্তসমূহ

১। ইউটিউব চ্যানেলটির সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
২। ওয়াচ টাইম তথা চ্যানেলটি দ্বারা আপলোডকৃত ভিডিওগুলো সর্বমোট ৪০০০ ঘন্টার অধিক সময় ভিউয়ার দ্বারা দেখতে হবে।
৩। অন্য কারো ভিডিও সরাসরি বা সম্পাদনা করে চ্যানেলে প্রদর্শনের জন্য আপলোড করা যাবে না।
৪। একজন ব্যবহারকারী শুধুমাত্র একটি এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভাল এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৫। চ্যানেলে গুগল এডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসি ভঙ্গ করে এমন কোন ভিডিও আপলোড করে প্রদর্শন করা যাবেনা।

এডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

অনলাইন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এডসেন্স এড বসিয়ে টাকা আয় করাটা অনেকটাই নির্ভর করে উক্ত ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত ভাষা, জনপ্রিয়তা, ভিজিটরদের উপস্থিতি, আর্টিকেলের মান, আর্টিকেলে ব্যবহার করা কিওয়ার্ড এর CPC rate প্রভৃতির উপর।

ভাষা – আপনার ওয়েবসাইটের লেখাগুলো যদি বাংলা ভাষায় লেখা হয়ে থাকে তবে এডসেন্স এর মাধ্যমে ভালো অংকের টাকা উপার্জন করার আশা ছেড়ে দেয়াটাই যুক্তিযুক্ত। কেননা প্রথমত, বাংলা ভাষার আর্টিকেল তথা কিওয়ার্ডের CPCCPM (Cost Per Thousand Impression) রেট খুবই কম। দ্বিতীয়ত, বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষা বুঝতে সক্ষম এমন ভিজিটর এর সংখ্যাও কম। বাংলা ভাষার কন্টেন্ট এর গড় CPC rate $0.01 থেকে সর্বোচ্চ $2 পর্যন্ত।

অন্যদিকে, আপনি ব্লগ লিখে এডসেন্স এর মাধ্যমে ভালো অংকের টাকা উপার্জন করতে চাইলে অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় ভালো মানের একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে নিয়মিত মানসম্মত মৌলিক তথ্যপূর্ণ লেখা লিখে যেতে হবে।

ভিজিটর বা দর্শক – ব্লগে এডসেন্স এড বসিয়ে আয় করার ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে উক্ত ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর উপস্থিতি বা জনপ্রিয়তা।

মনে করুন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে প্রচুর মানসম্মত এবং তথ্য সমৃদ্ধ আর্টিকেল লিখে প্রকাশ করেছেন। ব্লগে সঠিক নিয়মে এডসেন্স এড ও বসিয়েছেন। অথচ আপনার ওয়েবসাইটে কোনো ভিজিটর বা দর্শক নেই। তো এডসেন্স এর মাধ্যমে আয়টা হবে কি করে? সুতরাং এডসেন্স এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ পরিমাণ আয় নিশ্চিত করতে আপনাকে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করতে হবে?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ভিজিটর বা দর্শক কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়?

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর বা দর্শক সমাগম করার সবচাইতে কার্যকরী উপায় হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও করার মাধ্যমে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন থেকে অর্গানিক ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।

পড়ুন- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও কি?

এবং- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে ভিজিটর বৃদ্ধি করার ১১টি প্রধান কৌশল

এইভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ধৈর্য ধরে মানসম্মত লেখা নিয়মিত লিখে যেতে পারলে এবং সেই লেখাগুলো সঠিকভাবে এসইও করে ভিজিটর বৃদ্ধি করতে সক্ষম হলে একটা সময় এমন আসবে যখন আপনি এডসেন্স ড্যাসবোর্ডে আপনার দৈনিক ও মাসিক আয়ের রিপোর্ট দেখে এতোটাই আনন্দিত হবেন যা একমাত্র উপলব্ধি না করলে বোঝানো সম্ভব না।

এডসেন্স থেকে টাকা তোলার পদ্ধতি

বর্তমানে এডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করা টাকা পেপাল, চেক অথবা একটি অনলাইন ব্যাংক একাউন্ট এর মাধ্যমে উত্তোলন করা সম্ভব। তবে যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল সার্ভিস নেই তাই নিচে শুধুমাত্র ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে এডসেন্স প্রোগ্রাম ব্যবহার করে উপার্জন করা টাকা উত্তোলন করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

এক্ষেত্রে প্রথমে আপনার এড্রেস ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে বর্তমান ঠিকানা সংশ্লিষ্ট তথ্য এডসেন্স একাউন্ট সেটিংসে যুক্ত করতে হবে। আপনার এডসেন্স একাউন্টে ১০ ডলার ব্যালেন্স হলে গুগল এর পক্ষ থেকে আপনার ঠিকানায় একটি পিন নাম্বার পাঠানো হবে। সেই পিন নাম্বারটি এডসেন্স একাউন্ট এর পিন ভেরিফিকেশন পেজে গিয়ে ভেরিফাইড করা যাবে। এরপর আপনি পেমেন্ট সেটিংস পেজ এ আপনার ব্যাংক একাউন্ট এর তথ্যাদি যুক্ত করে দিতে পারবেন।

এতে করে আপনার এডসেন্স এর ব্যালেন্স ১০০ ডলার এর উপরে উঠলে গুগল পরবর্তী মাসের শেষ দশকের মধ্যে আপনার ব্যাংক একাউন্ট এর ঠিকানায় টাকা ট্রান্সফার করে দিবে।

আজ এ পর্যন্তই। লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো? অনুগ্রহ করে কমেন্ট করে আমাদের জানাবেন। যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন। আর একটি অনুরোধ। অবশ্যই সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে লেখাটি অন্যকেও পড়ার সুযোগ করে দিবেন।

ধন্যবাদ সবাইকে
সাব্বির আহমদ রাহিক

Author
Categories ,

Comments

There are currently no comments on this article.

Comment

Enter your comment below. Fields marked * are required. You must preview your comment before submitting it.






Subscribe To Our Newsletter

* indicates required


Recent English Articles
Recommended Domain Register - NameCheap.Com
Exclusive Offer: 15% off your first domain
Recommended Web Host - HostGator.Com
Get 20% off all New HostGator Hosting plans with Coupon: SNAPPY.
বাংলা ভাষায় লিখিত সাম্প্রতিক প্রকাশনা
অনলাইনে টাকা আয় করা সম্পর্কিত প্রকাশনা