অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়?

Posted

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইনে নিজের ওয়েবসাইট, ব্লগ বা সামাজিক যোগাযোগ সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, লিংকড ইন, ইনস্টাগ্রাম প্রভৃতি মাধ্যমে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান বা পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার তথা সেই পণ্য বিক্রি করে টাকা আয় করা।

অ্যাফিলিয়েট পণ্য বিক্রি করে কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়?

অনলাইনে বেশ কিছু ভালো পণ্য বা মূল্য পরিশোধিত সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনা, নতুন গ্রাহক তৈরি করা এবং পণ্য বিক্রি করার জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নামের একটি অংশীদারিত্ব মূলক ব্যবস্থা চালু আছে।

এই ব্যবস্থার অধীনে ঐ প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবার তথ্য যুক্ত বিজ্ঞাপন যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগে প্রদর্শন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ঐ বিজ্ঞাপনে পণ্য বা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের লিংকের সাথে বিজ্ঞাপন প্রচারকারী ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আইডি যুক্ত করে দেয়া হয়।

পরবর্তীতে একজন ভিজিটর যখন অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে উক্ত পণ্যটি ক্রয় করেন তখন সেই বিক্রয়মূল্যের একটি নির্দিষ্ট ধার্যকৃত অংশ বা কমিশন বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে নিয়োজিত প্রচারক ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাবেন।

বিষয়টি একটি উদাহরণ এর মাধ্যমে পরিষ্কার করছি।

আপনারা নিশ্চয়ই অ্যামাজন.কম এর নাম শুনেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অ্যামাজন তাদের অনলাইন ই-কমার্স স্টোর এর মাধ্যমে বহুদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রি করে আসছে। সামান্য সুঁই-সুতা থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক্স পণ্য তথা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মধ্যে প্রায় সবকিছুই পাওয়া যায় অ্যামাজন নামের অনলাইন পণ্যসামগ্রী বিক্রয়কারক প্রতিষ্ঠানটিতে।

আপনি জানেন কি, ইচ্ছে করলে আপনি, আমি এবং আমাদের মতো আরও অনেকে নিজেদের মার্কেটিং অর্থাৎ পণ্য বিক্রয় করার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অ্যামাজন.কম এর পণ্য বিক্রি করে তা থেকে কমিশন গ্রহণ করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারি।

অ্যামাজন কতৃপক্ষ নিজেরাই অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমাদেরকে সে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

ফলশ্রুতিতে যে কেউ অ্যামাজন অ্যাসোসিয়েট প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন নিজের ওয়েবসাইট, ব্লগ, ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে প্রদর্শন করে বিক্রি করতে পারবেন এবং পণ্য বিক্রির টাকা থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন গ্রহণ করতে পারবেন।

নিচের বিজ্ঞাপনটি লক্ষ্য করে দেখুন-

এটি একটি অ্যামাজন প্রোডাক্ট যা কিনা Kindle E-Book Reader নামে পরিচিত।

বলা বাহুল্য, এটি একটি বিজ্ঞাপন যাকিনা আমি আমার ব্লগে প্রকাশ করেছি।

সাধারণত এই ভাবেই অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামের অধীনে বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠানের পণ্য (এক্ষেত্রে অ্যামাজনের কিন্ডলে ইবুক রিডার) মার্কেটিং বা বিপণনের জন্য বিজ্ঞাপন প্রচারকারীর ব্লগ, ওয়েবপেজ বা সামাজিক যোগাযোগ সাইটে (এক্ষেত্রে singhcitytimes.com এ) প্রচারের ব্যবস্থা করে বিক্রির মাধ্যমে কমিশন ভিত্তিক টাকা আয় করা যায়।

এখানে উল্লেখ্য যে, এই ব্যবস্থায় ক্রেতাদের কোন প্রকার ক্ষতি হয় না। কারণ একজন ব্যক্তি অ্যাফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে কোন পণ্য কিনলে তার যে মূল্যে কিনতে হবে, সে যদি সরাসরি সেই জিনিসটি ক্রয় করতো তাতেও তার সমান অর্থাৎ একই পরিমাণ টাকা খরচ হতো।

কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করবেন?

প্রথমত আপনার ব্লগে যতটা সম্ভব মানসম্মত লেখা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক উপকরণ যুক্ত করে ব্লগকে দর্শক প্রিয় করার চেষ্টা করবেন।

যথেষ্ট পরিমাণে দর্শক বা ভিজিটর আসা শুরু করলে তারপর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করার কথা বিবেচনা করবেন। কারণ, দর্শক হচ্ছে একটি ব্লগের প্রাণ বা চালিকাশক্তি। একারণেই দর্শকহীন ব্লগ থেকে আপনার নূন্যতম আয় করাও সম্ভব হবে না। অপরদিকে দর্শক যত বেশি হবে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার সম্ভাবনাও তত বৃদ্ধি পাবে।

পড়ুন- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে ভিজিটর বা দর্শক বৃদ্ধি করার ১১টি প্রধান কৌশল

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য কিভাবে বিষয় নির্বাচন করবেন?

আপনার ব্লগটি যে বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, ঠিক সে বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচন করবেন। উদাহরণ স্বরূপ নিচের বিজ্ঞাপনটি লক্ষ্য করে দেখুন। এই ব্লগটি তৈরি করা হয়েছে ওয়েবসাইট বা ব্লগ ডিজাইন, অনলাইনে আয় করা এবং এ বিষয়ের সাথে জড়িত ব্যাক্তি ও ফ্রিল্যান্সিং কাজে নিয়োজিত পেশাদারদের প্রতি লক্ষ্য রেখে।

ঠিক একারণেই নিচে ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন ও ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও সর্বমহলে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান নেমচিপ.কম এর বিজ্ঞাপন শোভা পাচ্ছে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য নির্বাচনযোগ্য কয়েকটি বিষয়

অনেকগুলো বিষয় আছে যেগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রথমত সে বিষয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করা হলে পরবর্তীতে একই বিষয় সংশ্লিষ্ট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত হয়ে সঠিকভাবে অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে অনলাইনে টাকা আয় করা যায়। নিচে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের প্রয়োজনে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরিতে নির্বাচন করা যায় এমন কিছু জনপ্রিয় বিষয়ের উল্লেখ করা হলো।

  • স্বাস্থ্য সেবা
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট
  • গ্রাফিক্স ডিজাইনিং
  • ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট
  • অনলাইনে আয়
  • নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী
  • বিউটি টিপস
  • রান্নাবান্না
  • লাইফ স্টাইল
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইত্যাদি।

কেমন অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচন করবেন?

একটি ব্যাপার অবশ্যই মনে রাখবেন। অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচনের জন্য মানের ব্যাপারে কোন আপোষ করবেন না। শুধুমাত্র হাই কমিশন রেট দেখে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম নির্বাচন করলে অনেক সময় পণ্যের মান নির্ধারণের ক্ষেত্রে ত্রুটি থেকে যায়। ফলশ্রুতিতে আপনার প্রতি দর্শক বা অনুসরণকারীদের মনে একধরনের আস্থাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয় – যা কিনা আপনার জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ভিজিটর আশংকাজনক হারে কমে যেতে পারে।

অন্যদিকে ভালো প্রোগ্রাম প্রমোট করলে কমিশন রেট অনেক সময় সমস্যা করে না। যেমন- অ্যামাজন এর কথাই ধরুন। কোন ব্যক্তি হয়তো আপনার এমন একটি প্রোডাক্ট লিংক ক্লিক করে অ্যামাজনের সাইটে প্রবেশ করলো যার মোট মূল্য মাত্র ৫ ডলার। সুতরাং নিশ্চিত ভাবেই সে প্রোডাক্ট ক্রয় করায় আপনার কমিশন কিছুই থাকবেনা।

অথচ সেই ব্যক্তি হয়তো অ্যামাজন এর বিশাল পণ্যের ভান্ডার থেকে খুঁজতে খুঁজতে এমন একটি জিনিস কিনলো যার সর্বমোট মূল্য ৩০০০ ডলার। অতএব বুঝতেই পারছেন, শুধুমাত্র ৫ ডলারের একটি পণ্যের বিক্রি করে আপনি দিনশেষে পেয়ে যেতে পারেন ১৫০ ডলার কমিশন বা তার চাইতেও অনেক বেশি কিছু।

সুতরাং বুঝে-শুনে ভালোভাবে বাজার যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর মধ্যে অ্যামাজন ছাড়াও অন্যান্য যে সকল প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে ভালো অংকের টাকা আয় করা যায় তাদের একটি লিস্ট নিচে দেয়া হলো-

  • ক্লিকব্যাংক (www.clickbank.com)
  • সিজে (কমিশন জাংশন) (www.cj.com)
  • ইম্পেক্ট রেডিয়াস (impact.com)
  • রেক্যুতেন লিংকশেয়ার (rakutenmarketing.com)
  • শেয়ারএসেল (www.shareasale.com), ইত্যাদি।

মূলত এই প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেরা কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করে না। এদেরকে বরং মধ্যস্বত্বভোগী বলা যায়। কারণ এরা মার্চেন্ট অর্থাৎ যারা নিজেদের পণ্য বিক্রি করার জন্য অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম সুবিধা প্রদান করে এবং পাবলিশার অর্থাৎ আমরা যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত – উভয়ের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে। বিনিময়ে এরাও কিছু কমিশন গ্রহণ করে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

তবে আমাদের প্রয়োজন মতো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম খুঁজে বের করা ও তা মার্কেটিং করে অনলাইনে টাকা আয় করার ক্ষেত্রে এদের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের আয় বাড়ানোর উপায়

আপনি যে প্রোডাক্টের মার্কেটিং করার জন্য মনোনীত করবেন সেই পণ্যটি সম্পর্কে আগে ভালোভাবে জেনে নিন। প্রয়োজনে অনেকটা সময় নিয়ে অনলাইনে খুঁজে খুঁজে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য, রিভিউ পরে, বুঝে প্রয়োজনীয় তথ্যসমূহের নোট নিয়ে নেবেন। এরপর সবগুলো তথ্য একত্রিত করে নিজেই সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কিত সর্বাধিক সঠিক তথ্য সমৃদ্ধ একটি আর্টিকেল আপনার ব্লগে প্রকাশ করবেন।

মার্কেটিংয়ের পরিভাষায় একে প্রোডাক্ট সম্পর্কিত রিভিউ আর্টিকেল বলা হয়। এই লেখাতে আপনি ঐ পণ্যটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের তথ্য যেমন লিখবেন ঠিক তেমনি উক্ত পণ্যটি আপনার ব্লগের ভিজিটররা কেন কিনবেন বা এটি তাদের কি কি কাজে আসতে পারে সে সম্পর্কিত তথ্যাদি সহজ ভাষায় বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

আপনি অবশ্যই আপনার লেখার বিভিন্ন অংশে Bye Now বা এখনই কিনুন শব্দযুগল বা দেখতে আকর্ষণীয় ওয়েব বাটনে অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করে আপনার দর্শককে ঐ পণ্যটি আপনার দেয়া লিংক এর মাধ্যমে কেনার জন্য উৎসাহিত করবেন। লেখাতে অতিরঞ্জিত প্রণোদনা বা কেনার জন্য পণ্যের মিথ্যা প্রচারণা পরিহার করে যা কিছু সত্য, শুধুমাত্র তাই প্রকাশ করবেন।

সম্ভব হলে আর্টিকেলের অ্যাফিলিয়েট লিংক এর নিচের অংশে Affiliate Disclosure সংশ্লিষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে আপনার দর্শককে এই মর্মে আশ্বস্ত করবেন যে, কোনো ভিজিটর যদি আপনার লিংকের সূত্র ধরে পণ্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কোন পণ্য কেনে তবে তাকে অতিরিক্ত একটি টাকাও পরিশোধ করতে হবে না।

এইভাবে আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিভিন্ন সৃজনশীল কলাকৌশল প্রয়োগ করে অনলাইনে প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

অতএব, আর দেরি কেন? আজই একটি ব্লগ তৈরি করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে ঈর্ষনীয় অংকের টাকা উপার্জন করা শুরু করুন।

ঐকান্তিক ইচ্ছা, ধৈর্য আর কঠোর পরিশ্রম অসাধ্যকে সাধন করতে পারে

একটি ব্লগ তৈরি করাটা খুব বেশি কঠিন কিছু না।

নেমচিপ.কম থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস কিনে আজই শুরু করুন আপনার প্রাপ্য সাফল্যের লক্ষ্যে অগ্রযাত্রা।

নিচের বক্সে আপনার পছন্দনীয় ডোমেইন নেম লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। এতে করে আপনি নেমচিপ.কম এর সাইটের ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করার জন্য তৈরি করা পেজে পৌঁছুতে পারবেন।

Find a domain starting at $0.88

powered by Namecheap

স্বল্পমূল্যে আপনার কাঙ্ক্ষিত ডোমেইনটি রেজিস্ট্রেশন করে প্রয়োজন মতো ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস কিনে নিন।

কোন সাহায্য – সহযোগিতা প্রয়োজন হলে আমাদের জানাবেন। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করবো।

আজ এ পর্যন্তই। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাকে জানাবেন। লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন।

ধন্যবাদ সবাইকে

Author
Categories ,


Subscribe To Our Newsletter

* indicates required


Recent English Articles
Recommended Domain Register - NameCheap.Com
Exclusive Offer: 15% off your first domain
Recommended Web Host - HostGator.Com
Get 20% off all New HostGator Hosting plans with Coupon: SNAPPY.
বাংলা ভাষায় লিখিত সাম্প্রতিক প্রকাশনা
অনলাইনে টাকা আয় করা সম্পর্কিত প্রকাশনা